May 13, 2021, 4:16 am

Notice :
ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে ** ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে **ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে ** ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে **ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে ** ওয়েবসাইটের কাজ চলিতেছে **
News Headline :
দারুল হুদা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রহমতে এলাহীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসার স্বার্থ পরিপন্থী কাজ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ লাখাইয়ে স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে সাবেক বিচারপতি চুনারুঘাটের আব্দুল হাই আর নেই দারুল হুদা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট রহমতে এলাহীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ দারুল হুদা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অনিয়ম দুর্নীতি, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রহমতে এলাহীর অনিয়মের বিরুদ্ধে চার গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সমাবেশ মাধবপুরে সনদ বাতিলের ভয় দেখিয়ে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আত্মসাত ॥ অভিযোগ দেয়ায় ৪ লাখ টাকায় রফাদফা এমসি কলেজে ধর্ষণ: অভিযোগপত্র আমলে নিল আদালত আদালত প্রাঙ্গণে নিজ বুকে ছুরিকাঘাত করে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনায় ॥ কাগাউড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিমসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা ॥ সেলিম বুশরার পরকিয়ায় সর্বত্র তোলপাড় শায়েস্তাগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ত্রিমূখি লড়াইয়ের আভাস ॥ আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাসুদুজ্জামান, বিএনপি প্রার্থী অলিউর ও বর্তমান মেয়র ছালেক মিয়ার মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন পৌরবাসী শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশকে বৃদ্ধাংগুলী প্রদর্শন করে সেশন ফি আদায়ের অভিযোগ, প্রিন্সিপাল ফারুক মিয়ার দুর্নীতি চরমে, সদ্য এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় নিয়োগ বানিজ্য-১৪
অপ্রতিরোধ্য মাধবপুরের ভূমিদস্যু মালেক ও রইছ আলীর সিন্ডিকেট

অপ্রতিরোধ্য মাধবপুরের ভূমিদস্যু মালেক ও রইছ আলীর সিন্ডিকেট

মাধবপুর প্রতিনিধি ঃ অপ্রতিরোধ্য মাধবপুরের ভূমিদস্যু আব্দুল মালেক ও রইছ আলীর সিন্ডিকেট। হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভূমি জরবদখল, ঢাকা সিলেট মহসড়কের সরকারী সম্পত্তি গ্রাস, গ্রামবাসিদের গো-চারণ ভূমি আত্মসাৎ করতে মরিয়া ওই সিন্ডিকেটটি। মালেক ও রইছ আলীর অনুসরীদের অত্যাচারে পৈত্রিক ভিটা মাটি ছেড়ে এলাকা ছাড়া হয়েছে বেজুড়া গ্রামের নিখিলদেব, সমীর দেব, শিশির দেব ও সুভাষ দেবের মত বেশ কয়েকটি হিন্দু পরিবার। তাদের দখলে রয়েছে কয়েক শ’ শতক সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের ভূসম্পত্তি। জবরদখলকৃত জমি বিক্রি কিংবা গর্ত খুড়ে মাটি বিক্রি করে পকেট ভারি করে নিচ্ছে তারা। আবার কোন কোন জবরদখলকৃত সম্পত্তি দখল করে বিক্রি করে দিচ্ছে। গ্রামের ঈদগাঁ মাঠে গাছ লাগিয়ে দখলের চেষ্টা, ছিদ্দিক মিয়ার করস্থানসহ জনগনের চলাচলের রাস্তাও তাদের জরবদখলের কুদৃষ্টি থেকে বাদ পড়েনি। তাদের জবরদখলের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ইউপি সদস্য, মসজিদ কমিটির সভাপতি, সাংবাদিক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ গ্রামে অর্ধশত লোক ডজন খানেক মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছে। ভূ-সম্পত্তির জন্য মালেকের হাত থেকে রেহাই পায়নি তার জন্মদাতা পিতা আব্দুল মওলা। ২০১৭সালের ২৭ জুন আব্দুল মওলা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় আব্দুল মালেক ও খালেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে পরে পুলিশের সহযোগীতায় বিরোধটি নিম্পত্তি হয়। মালেকের বড় ছেলে আরিফ মিয়া (৩০) জি আর ১১৭/২০ মাদক মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী। রইছ আলীর ছেলে শাহ আলমের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে রুজুকৃত ১০৬৩/১৯ নং মামলাসহ রয়েছে পুলিশ এসল্ট মামলা। ভূ-সম্পত্তি কিংবা চাঁদাবাজি করতেই উপজেলার বেজুড়া গ্রামের আব্দুল মওলার ছেলে আব্দুল মালেক ও মৃত সুলেমান মিয়ার ছেলে রইছ আলী নেতৃত্বে ৫/৬ জনের মামলাবাজ সিন্ডিকেটটি বিজ্ঞ আদালতে বিভিন্ন ধারায় মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রামবাসিদের হয়রানী করছে। প্রয়াত অভিজিৎ নন্দী মুজমদারের খতিয়ন নং ৩৩৬১ দাগ নং ৬৯০০ তে মোয়াজি ২৩শতক, ৩৪৪৩ খতিয়ানে ৭০৬৮নং দাগে ৩০শতক, ৮৭৮ খতিয়ানে ৬৭৬৪, ৬৮৮১ দাগে ৩২শতক, ১৪৫১ খতিয়ানে ৬৪৬৩ দাগে ১০শতক, ৫১৮৩ ও ৪০২৬ দাগে ১৩১৪নং খতিয়ানে ৫৪শতক, ৩৮২১ দাগে ৩৪শতক জমিসহ বেজুড়া মৌজায় জবরদখলকৃত অনেক জমি ভূমি দস্যু রইছ আলীর দখলাধীন রয়েছে। তাদের এ জিম্মিদশা থেকে মুক্তি এবং মামলাবাজদের শাস্তি দাবী করছে উপজেলার ৭নং জগদীশপুর ইউনিয়নের বেজুড়া গ্রামের জনগন। বিজ্ঞ আদালতে একের পর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী প্রতিকার চেয়ে এ বছরের ১৯জুলাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সকল কর্মকর্তা বরাবরে গ্রামবাসিরা আবেদন করেছে। মামলাবাজ সিন্ডিকেটটি তাদের অবৈধ ফায়দা হাসিলের জন্য অপহরন, নিজের মেয়েকে বাদী করে ধর্ষনসহ জঘন্য অপরাধের মিথ্যা অভিযোগ এনে গ্রামের বয়োজ্যেষ্ঠ ইউপি সদস্য, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের শিক্ষক, মসজিদ ও ঈদগা কমিটির সভাপতিসহ বিশিষ্টজনদের নামে আদালতে মামলা দিচ্ছে। আর এসব মামলা নিস্পত্তি করার জন্য দাবী করা হয় জমি কিংবা মোটা অংকের চাঁদা। তাদের দাবীকৃত অর্থ কিংবা জমি না দেওয়ায় অব্যাহত থাকে বিজ্ঞ আদালতে একের পর এক মিথ্যা মামলা রুজুর প্রক্রিয়া। এই ৫/৬জনের সিন্ডিকেট সদস্যের মধ্যে কেউ হয় মামলার বাদী, অন্যরা হয় স্বাক্ষী। দাখিলকৃত দরখাস্তের সূত্রে জানা যায় যে, ০৬ আগষ্ঠ ২০১২ইং তারিখে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দক্ষিন বেজুড়া গ্রামের আব্দুল মওলার ছেলে আব্দুল মালেক (৪৫) ওয়ার্ড মেম্বার হাজী আদিল হোসেনসহ ৪জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করলে থানা পুলিশ তা তদন্ত করলে মিথ্যা প্রমানিত হয়। এর প্রায় দেড় মাসপর অর্থাৎ ২৬.১০.২০১২ইং তারিখে সেই মালেক তার নিজ সন্তান এমরান মিয়াকে লুকিয়ে রেখে ৭নং জগদীশপুর ইউপি’র ৪নং ওয়ার্ড সদস্য হাজী আদিল হোসেন, সাবেক সদস্য বজলু মিয়া, দক্ষিন বেজুড়া জামে মসজিদের সভাপতি গেদু মিয়াসহ ১০জনকে আসামী করে আদালতে ৩৫২/১২নং দরখাস্ত মামলা দায়ের করে। ওই মামলার প্রায় দেড় বছর পর অপহৃত এমরান নিজ থেকেই বেরিয়ে আসে। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ইং মামলাবাজ মালেক তার বড় ছেলে আরিফ মিয়া (৩০)কে বাদী করে আদালতে ডাকাতির অভিযোগ এনে ওয়ার্ড মেম্বারের পুত্র বেনু মিয়াসহ ৭জনকে আসামী করে ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় ০৫/১৩ নং দরখাস্ত মামলা ছাড়াও বিভিন্ন ধারায় বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রামের বিশিষ্টজনদের অদ্যবদি হয়রানী করে আসছে। মিথ্যা মামলার ধারাবাহিকতায় মামলাবাজ আব্দুল মালেক, নিজাম উদ্দিন ও পারভীন আক্তার মিলে তার মেয়ে আঁখি আক্তারকে বাদী করে আদালতে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ এনে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মাদ্রাসা শিক্ষক জসীম উদ্দিন, গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সভাপতি, সাংবাদিক মোহা. অলিদ মিয়াসহ ৫জনকে আসামী করে ১৪১/১৯ নং দরখাস্ত মামলা দায়ে করে। মামলায় স্বাক্ষী হিসেবে রয়েছে ঘটনাস্থল থেকে ১কি.মি. দুরের বাসিন্দা আব্দুল মালেক, তার ভাই আব্দুল খালেক, আপন চাচাতো ভাই রফিক মিয়া। ধর্ষনের চেষ্টা মামলার কিছু দিন পর নিজাম উদ্দিনকে বাদী করিয়ে আদালতে ৬৮১/১৯নং আরেকটি দরখাস্ত মামলা সাংবাদিক, শিক্ষক ও ঈদগা কমিটির সভাপতিসহ ৮জনকে আসামী করে আদালতে দায়ের করে। মামলাবাজরা মৃত আজিম উদ্দিনের পুত্র নিজাম উদ্দিনকে লুকিয়ে রেখে গত ০২ মার্চ ২০২০ইং তারিখে তার স্ত্রী পারভীন আক্তার বাদী হয়ে আদালতে ১০৩/২০ নং দরখাস্তে অপহরনের অভিযোগ এনে ৬জনকে আসামী করে মামলা করায়। গত ১৭ মার্চ পারভীন আক্তার বাদী হয়ে আদালতে ২৮০/২০ নং দরখাস্তে গ্রামবাসি ১১জনকে আসামী করে আরো একটি মামলা দায়ের করে। আব্দুল মালেক, নিজাম ও পরভীনের সমন্বয়ে গঠিত ৫/৬জনের মামলাবাজ সিন্ডিকেটটি এ পর্যন্ত প্রায় আদালতে এক ডজন মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রামবাসিদের হয়রানী করে আসছে। মামলা দায়ের করেই বিভিন্ন মাধ্যমে দাবী করা হয় নগদ অর্থ ও ভূ-সম্পত্তি। এভাবে একের পর এক আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে গ্রামের জনগনের মধ্যে গণঅশান্তি সৃষ্ঠি করছে বলে গ্রামবাসিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিথ্যা মামলায় আর্থিক ও মানসিক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসি ভূমি দস্যু ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY Rapid ICT